Advertisement

Responsive Advertisement

যোদ্ধা রাজার রহস্যময় যুদ্ধ – এক সাহসী রূপকথার গল্প– পর্ব ২ | Bangla Golper Asor BD

যোদ্ধা রাজার রহস্যময় যুদ্ধ – এক সাহসী রূপকথার গল্প | Bangla Golper Asor BD

যোদ্ধা রাজার রহস্যময় যুদ্ধ – এক সাহসী রূপকথার গল্প– পর্ব ২ | Bangla Golper Asor BD


যোদ্ধা রাজার রহস্যময় যুদ্ধ – এক সাহসী রূপকথার গল্প: প্রজারা বিরক্ত হয়ে ওঠে। প্রতিবাদ করে। কিন্তু কোন কাজ হয়নি। রুদ্র নারায়ণ গড়ে প্রথম যুদ্ধ ঘোষণা। অবশেষে কি হলো জানতে পুরো গল্পটি পড়ুন।


পর্ব ২

আত্ম গ্লানিতে ডুবে যাচ্ছিল কেশো নারায়ণ। তিনি রাজকুমারী পার্বতীর একটা কথা রাখেননি। তিনি একের পর এক হত্যা করে চলেছে। কিন্তু কে এই কেশো নারায়ণ? তার বংশের পরিচয় কি? তা সবারই অজানা। রক্তমাখা দেহ নিয়ে তিনি রাজপ্রাসাদের বাইরে বেরিয়ে এলেন। তখন রুদ্রগড়ের সৈন্যরা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। তারা কিছুতেই অমৃতনগর সৈন্যদলের সাথে পেরে উঠতে পারছে না।

তিনি আবার দুটো হাতে তলোয়ার নিয়ে বুক ফুলে সৈন্যদের সামনে গিয়ে দাঁড়ালো। তার তরোয়াল ধরা মানে আবার নতুন করে হত্যালীলা শুরু। ইতিমধ্যে তার শরীরে তিন চারটে তির লেগে রয়েছে। তবুও তিনি থামলেন না। কখনো নীচে দিয়ে কখনো শুন্যে উঠে সৈন্যদের বোধ করতে লাগলেন। তিনি একটা তীর ছুড়লে, সেখান থেকে হাজারটা তীর বেরিয়ে যায়। তিনি এত বীভৎসভাবে, কম সময় সৈন্যদের হত্যা করছিল, দেখে মনে হচ্ছিল কেউ ছুরি দিয়ে আলু কাটছে। কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই অমৃতনগর রক্তে লাল হয়ে গেল।

আকাশে এক ঝাক শকুনি ঘুরছে। দেহ গুলির ভক্ষণ এর উদ্দেশ্যে। রাজা বিজয় হতভাগ্য হলেন, তার স্বপ্নের রাজ্যকে এক নিমিষে শেষ করে দিল কেশো নারায়ণ। অমৃত নগরী হয়ে গেল শ্মশান পুরি। বিজয়ের চোখের কোনে জল চিকচিক করে উঠেছে। তিনি জানেন না কেশো নারায়ণ উনার নিজের সন্তান। রাজা বিজয় কেশো নারায়ণের কাছে মাথানত করলেন। তার পায়ের কাছে তরোয়াল ফেলে দিয়ে বসে বললেন,

  • তোমার মত বীর এ ত্রিভুবনে নেই। তুমি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ যোদ্ধা। আমিও অমৃত নগরী রাজা বিজয়, তোমার কাছে আত্মসংবরণ করছি। অমৃত নগরী আজ থেকে তোমার। আমাকে দয়া করে প্রাণ ভিক্ষা দাও।
    কেশো নারায়ণ উচ্চ স্বরে বললেন,
  • কিন্তু আপনি ভুল করেছেন। আমার বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরেছেন। তার শাস্তি তোমাকে পেতেই হবে। আমার আগ্রাসনের সামনে যে আসবে তার ধড় থেকে আমি মুন্ডু নামিয়ে দিব। তোমার বেলাও তার ব্যতিক্রম হবে না মহারাজা বিজয়।
  • কিন্তু আমিতো আত্মসম্মোহর করলা। ক্ষমা চাইলাম। প্রয়োজন হলে সারাজীবন তোমার দাস হয়ে কাটিয়ে দেবো। দয়া করে আমাকে প্রাণে মেরো না।
  • আমার অভিধানে “ক্ষমা”শব্দটি নেই মহারাজা। মাথা উচু হলে তা আমি নামিয়ে দিই।
    রাজা বিজয় প্রচন্ডভাবে ভেঙে পড়লেন। চোখ দিয়ে পানি বেরিয়ে এলো। তবুও তিনি এক বীরের মতো বললেন,
  • তবে তাই হোক কেশো নারায়ণ। তুমি আমাকে হত্যা করো। তবে মনে রেখো, একদিন তোমার সামনে আরও এক শক্তিশালী যোদ্ধা আসবে। তোমার সামনে দাঁড়াবে। তোমাকে বোধ করবে। তুমি ক্ষমা চাওয়ার সময়টাও পাবে না।
  • তুমি ভুলে যাচ্ছ মহারাজা। আমাকে অস্ত্রশিক্ষা রানী পার্বতী দিয়েছি। উনি শুভ শক্তির প্রতীক। আমিও শুভ শক্তির প্রতীক। একজন যোদ্ধা থাকতে পৃথিবীতে অপর যোদ্ধা জন্মাতে পারে না। আমি যাকে অস্ত্রশিক্ষা দান করব, পরবর্তীতে সে হবে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ যোদ্ধা।

কেশো নারায়ণ বলেই তীব্রগতিতে তরোয়াল ধারালো অংশ দিয়ে রাজা বিজয়ের গলায় বসালেন। ধড় থেকে মুন্ডু প্রায় অনেকটা দূরে গিয়ে পড়ল। ভারতের শক্তিশালী রাজ্য অমৃতনগর পরাজিত হওয়ার পর। অনেক রাজ্য যুদ্ধ করতে রাজি হল না। বিনা যুদ্ধে আত্মসম্বরণ করতে লাগলেন। আর রাজা কেশো নারায়ণের লোভ ক্রমশই বাড়তে লাগলো। একের পর এক রাজ্যকে বোধ করে চলেছেন তিনি।

দক্ষিণ ভারতে অবস্থিত ছোট্ট একটি রাজ্য সুন্দরগড়। অনেক প্রাচীন রাজ্য। আয়তনের দিক দিয়ে খুবই ছোট। অপূর্ব সৌন্দর্য পরিপূর্ণ এই রাজ্য।রাজ্যের সৌন্দর্য আরো বাড়িয়ে দিয়েছিল রাজকুমারী আলোর সৌন্দর্য। যেখানে সত্য ধর্ম এবং সদাচার পালন করা হতো। উপরে ছিল এক পর্বত।সেখানে নানা সুন্দর এবং সুগন্ধি ফুল ফলের উদ্যান তৈরি করেছিল রানী আলো। এবং অনোন্য বহুমূল্য রত্ন সজ্জিত এক প্রাসাদে আলো থাকতেন। পিতা অগ্নিদেবের একমাত্র সুতা আলো। ছোটবেলা থেকেই মহারানী মারা যান। অগ্নিদেব নিজে হাতে আলোকে বড় করে তুলেন।

মাত্র 18 বছর বয়সে তিনি সিংহাসনে বসেন। তিনি কোনো অন্যায় সহ্য করতেন না।অন্যায় যে করবে তার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড ছাড়া অন্য কিছু ভাবতেন না। সুন্দরগড় তখনকার দিনে একমাত্র রাজ্য। যেখানে পুরুষদের মতো নারীদের সমান ভাবে বেঁচে থাকার অধিকার ছিল। নারীদের জন্য শিক্ষার ব্যবস্থা ছিল। প্রজারা স্বাভাবিকভাবে জীবন কাটাতে। কোন অভাব ছিল না। সেখানে মানুষ সুখে শান্তিতে নির্বিঘ্নে বসবাস করত। তাদের কোন ভয় ছিল না। সকলেই ধর্ম মেনে চলত এবং সবসময় সরদার করত। অর্থাৎ নৈতিক আদর্শ উচ্চতা সেই নগরীকে অলৌকিক মহিমা দিয়েছিল।

প্রতিদিনের মত আজও রাজকুমারী আলো আর তার সাতজন সখি স্নানের উদ্দেশ্যে সরোবরে গেলেন। চারিদিকে পাহাড়ঘেরা উপত্যকার মাঝে ছিল অপূর্ব সুন্দর এক সরোবর। স্বর্গ লজ্জা পায় এমন সুন্দর পরিবেশ দেখে। চারিদিকে শীতল জল। পুরো সরোবর পদ্মফুলে ভর্তি। সরোবরে নামে রাজকুমারী, কি অপূর্ব রূপ। যেমন তার চোখের রেস, তেমনই তার ক্রোধ। তেমনি তার চাওনি।

প্রথম সখি তার রূপে মোহিত হয়ে বলল,

  • তোমার রুপ স্বর্গের দেবদেবীকে হার মানায় রাজকুমারী। রূপবান রাজকুমার কবে আসবে, তা নিয়ে আমি ভীষণ চিন্তিত।
    প্রথম সখির কথা শুনে সবাই হেসে উঠল। রাজকুমারীকে নিয়ে তারা খানিকক্ষণ মশকরা করল। তবে আলো সমস্ত সখির মনোভাব দূর করে বললেন,
  • আমি কোন রাজকুমারকে বিয়ে করব না। সাধারণ কোনো কৃষককে বিয়ে করবো। যে শুধু আমায় ভালবাসবে। পুরো রাজ্য চালনা করবে। আমার চাইনা কোন রূপবান পুরুষ। চাই কালো কুচকুচে হৃদয়-মন সুপুরুষ। যার নয়নে থাকবে শুধু মায়া। আর সেই মায়ায় আমি হারিয়ে যাব।

সখীরা একদৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল। রাজকুমার চাই না। চাই একজন সুপুরুষ কৃষক। এটা কেমন কথা রাজকুমারী? সুন্দরগড়ের রাজকুমারী সে। রাজকুমারী হয়ে কি কৃষককে বিয়ে করবে। এটাকি প্রজাদের কাছে শোভা পাবে। কৃষককে কি কেউ ভয় পাবে। রাজা হতে গেলে যুদ্ধবিদ্যা জানার প্রয়োজন। কৃষক নিশ্চয়ই অস্ত্রবিদ্যা পেরে উঠতে পারবেন না। সখীরা রাজকুমারীকে অনেক কথাই বললেন। রাজকুমারী মনের মধ্যে একটা ছবি এঁকে একা একা হাসতে লাগল।

সেই সময় একটা সু-মধুর বাঁশির সুর তাদের কানে ভেসে এলো। বাঁশিতে বেজে ওঠা সুর যেন স্বর্গীয় সব সুর। দূর থেকে রাজকুমারী সহ সব সখিরা তা শুনে অবাক হয়। এ সুর তো সুন্দরগড়ে পাখিদেরও অজানা। তারা মুগ্ধ হয়ে শুনে। কিন্তু সুরকার থাকে আড়ালে। তাকে কেউ দেখতে পায়না।সেই সুরের মধ্যে লুকিয়ে রয়েছে এক নিদারুণ বেদনা।

অসহ্য যন্ত্রণা যেন তিনি ভুগছেন। কষ্টের মধ্যে কাটছে তার দিন। রাজকুমারী আলো ধীরে ধীরে সরোবর থেকে উঠতে লাগলেন। গায়ে থাকা কাপড় শরীরে লেপ্টে বসে রয়েছে। শরীর থেকে জল ঝরে ঝরে পড়ছে। চন্দনের মতন উজ্জ্বল তার গায়ের রং। তার রূপ এত সুন্দর যে, কেউ দিনের পর দিন একই জায়গায় বসে তার রুপ আহরণ করবে। স্নানের পর তার রূপ যেন আরও বহুগুণ বেড়ে গেছে। তিনি নগ্নপায়ে মেঠোপথে আগন্তুক সুরের দিকে এগুতে লাগলো। তা দেখে সখীরা আশ্চর্য হয়ে রাজকুমারীকে আটকে বলল,

  • কোথায় যাচ্ছ রাজকুমারী?
  • ওই সুরকার কে খুঁজতে।
  • এই অবস্থায়! তোমার শরীর এখনো ভেজা। এটা রাজকুমারের শোভা পায় না।
  • না সখি আমায় আটকায় না। আমি এই রাজ্যের রাজকুমারী। সবার সুখ-দুখে পাশে থাকার অঙ্গীকার করেছি। কিন্তু ঐ সুরকার কে যার মনে এত বেদনা জমে রয়েছে, তা জানতে হবে। মনের বেদনা দূর করতে হবে।
  • রাজকুমারী, সে সুরকার বেশি কোন বৈরীদল ও হতে পারে। তোমার কাছে এখন কোন অস্ত্র নেই। আমাদের রাজ প্রাসাদে ফিরে যাওয়াই উত্তম।
  • আমি রাজকুমারী আলো। বৈরীদলকে ভয় পাইনা। আমি বিনা অস্ত্রেও যুদ্ধে পারদর্শী।

রাজকুমারী কোন কথা না শুনে জঙ্গলের মধ্যে প্রবেশ করলেন। পিছনে পিছনে সখীরাও গেল। সখিরা বড্ড ভালোবাসে রাজকুমারীকে। তাই রাজকুমারীকে একা ছাড়তে পারল না। বেশ কিছুদূর যাওয়ার পর তারা লক্ষ্য করলো। একজন রাখাল গাছে পিঠ ঠেকিয়ে বসে, এক করুণ সুরে বাঁশি বাজিয়ে চলেছে। রাখাল কে দেখে সখীরা একে অপরের দিকে তাকালো। রাজকুমারী রাখালের কাছে বসতে, রাখাল বাশির সুর থামিয়ে দিল। একটু বিব্রত হয়ে রাজকুমারী দিকে তাকিয়ে বলল,

  • কে তুমি নারী? ভেজা শরীরের জঙ্গলে প্রবেশ করেছ। চলে যাও। এখানে অনেক বিপদ আঁচ পেতে বসে রয়েছে।
  • আমি রাজকুমারী আলো। বিপদকে ভয় পাইনা।
    রাখাল মাথা নত করে বললেন,
  • মার্জনা করবেন রাজকুমারী। আমি বুঝতে পারিনি। আপনি রাজকুমারী আলো।
  • কিন্তু আপনার কিসের এত বেদনা।মা আপনি বাসির সুরে মধ্যে প্রকাশ করছেন। আমার রাজ্যে সবাই সুখী দেখতে চাই, কিন্তু আপনি….
  • আমার কোনো কষ্ট দুঃখ নেই।
  • তাহলে…

রাখাল দাড়িয়ে বলল,

  • আমাদের সবার মৃত্যু ঘনিয়ে আসছে। কেশো নারায়ণ বিশ্বজয়ে বেরিয়ে পড়েছেন। একের পর এক রাজ্য তার পায়ের তলায় লুটিয়ে পড়ছে। ধুলোর মতো মিলিয়ে যাচ্ছে কোথায়। কয়েক মাসের মধ্যে উনি আমাদের রাজ্যকে আক্রমণ করবেন। নিমিষে শেষ করে দিবেন আমাদের রাজ্য কে। উনার অভিধানের ক্ষমা শব্দটি নেই। উনি বাচ্চা থেকে নারী কাউকে ছাড়ে না।সবাইকে নির্মমভাবে হত্যা করে। উনার হাত থেকে আমাদেরকে কেউ বাঁচাতে পারবে না।

রাজকুমারী আলো একটুও ভয় পেলেন না কেশো নারায়ণ কে। তিনি উঠে দাঁড়িয়ে হুংকার দিয়ে বললেন,

  • আমি রাজকুমারী আলো। যতদিন আমার শরীরে প্রাণ আছে। ততদিন আমার রাজ্যে কোন প্রজার কিছু হতে দেব না। শত্রু দলের বিরুদ্ধে আমি রুখে দাঁড়াবো।
    রাখাল হেসে বললেন,
  • আপনি জানেন না রাজকুমারী, কেশো নারায়ণ বিশ্বের সেরা যোদ্ধা। উনার মত বীর ত্রিভুবনে একটাও নেই। উনি একাই লক্ষ লক্ষ সৈন্য কে বধ করতে সক্ষম।
    আলো একটু আশ্চর্য হলো। কে এই কেশো নারায়ন? যার ভয়ে গোটা বিশ্ব কাঁপছে? তার আসল পরিচয় কী? উনি যদি বিশ্বের সেরা যোদ্ধা হয়, তাহলে কেন নিষ্পাপ শিশুদের হত্যা করে। একজন যোদ্ধার শিশুদেরকে বাঁচানো তার কর্তব্য। নারীদের প্রাণ রক্ষা করা তার আদর্শ। আর তিনি ওদেরই হত্যা করে চলেছে।মনে মনে কেশো নারায়ণের প্রতি তার কৌতূহল বেড়ে গেল। তাকে দেখার ইচ্ছা মনের মধ্যে জাগলো। তবুও রাজকুমারী হুংকার দিয়ে বলে উঠলো,
  • উনি যত বড়ই যোদ্ধা হোক। আমার রাজ্যে রক্ত ঝরতে দেবনা। আমি উনাকে বদ করব। কোন ক্ষুদ্র জিনিসকে ক্ষুদ্র জিনিস দিয়ে সহজে ভাঙ্গা যায় না। ক্ষুদ্র জিনিসকে ভাঙতে হলে কোনো বৃহৎ জিনিসের প্রয়োজন। তেমনি বৃহৎ জিনিসকে ভাঙতে গেল কোন বৃহৎ জিনিস নয় ক্ষুদ্র জিনিস প্রয়োজন। তেমনি এই বীরকে কোন বীর হত্যা করতে পারবে না। কোন সাধারণ মানুষই হত্যা করবে। আর সেই সাধারণ মানুষ হবো আমি, রাজকুমারী আলো।

কিছু শব্দার্থঃ

সুতা- কন্যা
বৈরীদল- শত্রু দল
সখি- বন্ধু
ভৈরবে- ভয়ংকরভাবে
ভগবতী- দেবী
রত্নাকর–রত্নের খনি

(যোদ্ধা নামের এই রুপকথার গল্প টি সম্পর্কে আপনার মূল্যবান মতামত জানাতে আমাদের কমেন্ট করুন।)

-চলবে-

পাঠক আপনাদের জন্যই আমরা প্রতিনিয়ত লিখে থাকি। আপনাদের আনন্দ দেয়াই আমাদের প্রধান লক্ষ। তাই এই পর্বের “যোদ্ধা নামের রুপকথার গল্প” টি আপনাদের কেমন লাগলো পড়া শেষে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।

পরের পর্ব পড়ুন – যোদ্ধা রাজার রহস্যময় যুদ্ধ – এক সাহসী রূপকথার গল্প– পর্ব ৩ | Bangla Golper Asor BD

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ