Advertisement

Responsive Advertisement

যোদ্ধা রাজার রহস্যময় যুদ্ধ – এক সাহসী রূপকথার গল্প– পর্ব ৩ | Bangla Golper Asor BD

যোদ্ধা রাজার রহস্যময় যুদ্ধ – এক সাহসী রূপকথার গল্প | Bangla Golper Asor BD

যোদ্ধা রাজার রহস্যময় যুদ্ধ – এক সাহসী রূপকথার গল্প– পর্ব ৩ | Bangla Golper Asor BD

যোদ্ধা রাজার রহস্যময় যুদ্ধ – এক সাহসী রূপকথার গল্প: প্রজারা বিরক্ত হয়ে ওঠে। প্রতিবাদ করে। কিন্তু কোন কাজ হয়নি। রুদ্র নারায়ণ গড়ে প্রথম যুদ্ধ ঘোষণা। অবশেষে কি হলো জানতে পুরো গল্পটি পড়ুন।


পর্ব ৩

ক্লান্ত,বৃদ্ধ রাজা অগ্নিদেব সিংহাসনে বসে রয়েছেন। তিনি খুবই চিন্তিত।রাজ্যের কোনো রাজকুমার নেই এটার চিন্তা দ্বিগুণ বাড়িয়ে দিয়েছিল অগ্নিদেবকে। পরবর্তী রাজ্যের দায়িত্ব কে নিবেন। কিছু একটা ব্যাপার ভাবতে ভাবতে সেনাপতি রাজ দরবারে প্রবেশ করলেন। তিনি বুকে হাত দিয়ে রাজা মশাই কে শ্রদ্ধা নিবেদন করে বললেন

  • মহারাজ মার্জনা করিবেন।আমি বলতে বাধ্য হচ্ছি, কেশো নারায়ণ যেভাবে একের পর এক রাজ্য জয় করে চলেছে, অতি শিগগিরই তিনি আমাদের রাজ্য আক্রমণ করবেন।আমার মনে হয়, আমাদের এখন থেকে আত্মসংবরণ করা উচিত।

মহারাজা নিশ্চুপ। তিনি কিছুই বলছেন না।তিনি ভালোভাবে জানেন কেশো নারায়ণের সাথে তার সৈন্যদল পেরে উঠতে পারবে না। তবুও বিনা যুদ্ধে তিনি হার মানতে চান না। আবার পুরনো অতীতের কথা মনে পড়লে, শরীর শিরশির করে ওঠে। কিন্তু কেশো নারায়ণ পুরনো অতীত জানলেও ওদের ছাড়বে না। ওর বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরা মানে মৃত্যুই একমাত্র পথ। তবুও প্রজাদের সুরক্ষার কথা ভেবে এখানে যুদ্ধ ঘোষণা করায় উচিত। কিন্তু মহারাজা কি আদৌ করবেন? মহামন্ত্রী তিনিও মহারাজকে যথাযোগ্য শ্রদ্ধা জানিয়ে বললেন,

  • হে মহারাজ, আমি সেনাপতির কথায় সমত পোষণ করছি। আমাদের আত্মসম্বরণ করাই একমাত্র পথ।এতে কিছু না হলে অন্তত কয়েকটা প্রাণ রক্ষা পাবে।
    বেশ খানিকক্ষণ রাজদরবার নিশ্চুপ হয়ে রইল। মহামন্ত্রী থেকে শুরু করে সেনাপতি সবাই নিজেদের দিকে তাকিয়ে রয়েছে। পিনপতন একটা শব্দও নেই। মহারাজার বার্তায়, তাদের প্রাণ নির্ভর। অগ্নিদেব সিংহাসন থেকে উঠে দাঁড়িয়ে বললেন,
  • তবে তাই হোক, কেশো নারায়ণকে আমাদের আত্মসংবরণ এর পত্র পাঠাও।
    মহারাজের এই বার্তায় রাজপ্রাসাদের মধ্যে একটা খুশির আলো ভরে গেল। সবাই আনন্দে আত্মহারা হলো। সেনাপতি থেকে মহামন্ত্রী সবার মুখে হাসি ফুটে উঠল। মহারাজ আবার সিংহাসনে বসে পড়লেন। নিজের কর্তব্য লাগছে। তিনি রাজা হয়ে বিনাযুদ্ধে রাজ্য ছেড়ে দিলেন। প্রজাদের কথা একবারও ভাবলেন না। কি নিষ্ঠুর এই মহারাজ? নিজের আত্মসম্মান বোধ বলতে কিছুই নেই।ঠিক সেই সময় রাজকুমারী আলো প্রবেশ করল।তিনি উচ্চ কণ্ঠে বললেন,
  • পিতা এ কী নিধান তোমার?

অগ্নিদেব চুপ করে বসে রয়েছেন। কিছু বলছেন না। আলো আবার বলল,

  • পিতা এটা হতে পারে না, বিনা যুদ্ধে আমরা রাজ্য ছেড়ে দেবো না। আমরা যুদ্ধ ঘোষণা করবো।
    সেনাপতি মশাই বললেন,
  • আপনি জানেন না কেশো নারায়নকে। উনি বিশ্বের সেরা বীর। যে কোন রাজ্যকে তিনি একা হাতে শেষ করে দিতে সক্ষম। আমরা উনার বিরুদ্ধে কিভাবে যুদ্ধ করব।
  • চুপ করো সেনাপতিমশাই। আপনি যদি রাজ্যের সেনাপতি হয়ে, ভীতু হন। তাহলে রাজ্যের মানুষ কার ভরসায় বাঁচবে? তুমি সেনাপতি পদে নিযুক্ত হয়েছে। সেনাপতির মানে বুঝেন আপনি? বোঝেন না,বুঝলে এই কথা বলতেন না।তোমার উচিত রাজ্যের জন্য প্রাণ দান করা।তুমি না করে প্রাণের ভয়ে হাত গুটিয়ে নিচ্ছে। এটা তোমার শোভা পায় না সেনাপতিমশাই।
  • মার্জনা করবেন রাজকুমারী, আপনি যুদ্ধে যেতে পারেন আমি যুদ্ধে যাবো না। প্রয়োজন হলে আমি সেনাপতি ত্যাগ করব। আপনার প্রাণের ভয় না থাকতে পারে, আমার প্রাণের ভয়ে রয়েছে। বাড়িতে ছোট ছোট শিশু রয়েছে।
  • সেনাপতি মশাই!
  • হ্যাঁ রাজকুমারী! আমি চাইনা সেনাপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করতে।
    এদিকে মহামন্ত্রী তিনি বলে উঠলেন,
  • শুধু সেনাপতি নয়, আমিও মহামন্ত্রীর আসন থেকে নিজেকে সরিয়ে নেবো। তবে ওই মানব জ্ঞানহীন কেশো নারায়ণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে পারবো না। উনি শুধু রাজ্য জয় করেন না, সঙ্গে সঙ্গে নিশংসভাবে বাচ্চা শিশু, নারীদের হত্যা করতে কোন দ্বিধাবোধ করেন না।
    এবার মহারাজা মুখ খুললেন। তিনি উচ্চ কণ্ঠে বললেন,
  • সেনাপতি মশাই! মহামন্ত্রী! আপনাদের আসল রূপ তাহলে এটাই। আপনার কী করে তাহলে রাজ্যের মানুষের দায়িত্ব নিবেন? আমি ভেবেছিলাম পরবর্তী রাজ্যের ভার দিব সেনাপতি মশাইকে। কিন্তু তুমি তো ভীতু কাপুরুষ। তোমাকে বন্দি করা উচিত।
    সিংহাসন ত্যাগ করে তিনি নীচের দিকে নামতে নামতে বললেন,
  • আমি যুদ্ধে যাবো। বিনা যুদ্ধে আমরা এক ইঞ্চিও অংশ ছাড়তে রাজি নই। এতে যদি প্রাণ যায় রক্তের বন্যা বয়ে তবে তাই হোক।
    রাজকুমারী আলো উচ্চ কণ্ঠে বললেন,
  • না পিতা, যুদ্ধে আমি যাব।
  • তা হয় না আলো। কেশো নারায়ণ এর সাথে যুদ্ধ করা মানে মৃত্যু অনিবার্য। আমি আমার মৃত্যু জেনেই যুদ্ধক্ষেত্রে যাচ্ছি। তুমি যেওনা। তোমার বয়স অল্প।
    রাজকুমারী আলো পিতার পায়ের কাছে মাথা নত করলেন, তার ডান হাত বুকে রেখে বললেন,
    “থাকিতে দাস, যদি যাও রণে তুমি,

এ কলঙ্ক, পিতা ঘুষিবে জগতে”
(সংগৃহীত)
অগ্নিদেব কন্যাকে হাত দিয়ে তুলে দিলেন। ভীষণ ক্লান্ত অগ্নিদেব। চোখে জল গড়িয়ে এলো।তার পিতাকে ভেঙে পড়তে দেখে তিনি বললেন,

  • পিতা,চোখে অশ্রু কেন? রাজার চোখে অশ্রু কি শোভা পায়?
    অগ্নিদেব চোখের জল মুছে বললেন,
  • না কন্যা, তবে আমি এক কন্যাকে হারিয়ে আর এক কন্যাকে হারাতে চাইনা।
    রাজসভা পুরো স্তব্ধ হয়ে গেল। এতদিন সুন্দর গড়ের মানুষ জেনে এসেছে, অগ্নিদেবের একটি মাত্র কন্যা সেটা হল আলো। কোন কন্যার কথা তিনি বলছেন। এবার আলোর চোখের কোনে জল চিকচিক করে উঠলো। আশ্চর্য হয়ে তার পিতাকে বললেন,
  • কোন কন্যা পিতা? যেটা তুমি সবার কাছে লুকিয়ে রেখেছো।

ক্লান্ত, ভয়ে জর্জরিত মহারাজ তার দিকে তাকিয়ে বললেন,

  • আমার জ্যৈষ্ঠ কন্যা পার্বতী। কেশো নারায়নকে যিনি অস্ত্রশিক্ষা দিয়েছেন সে আর কেউ নয়, সে আমার জ্যৈষ্ঠ কন্যা রাজকুমারী পার্বতী।
    পুরো রাজসভায় নীরবতা বিরাজ করছে। সবারই কল্পনার বাইরে রাজকুমারী পার্বতী আসলে অগ্নিদেবের কন্যা। যার জন্য আজ গোটা বিশ্ব কম্পিত। ভয়ে তটস্থ।

(যোদ্ধা নামের এই রুপকথার গল্পটি সম্পর্কে আপনার মূল্যবান মতামত জানাতে আমাদের কমেন্ট করুন।)

আজ থেকে 25 বছর আগে, সুন্দরগড়ে রাজ ঠাকুর তিনি ভাগ্য নির্ধারণ করে বলে দেন,অগ্নিদেব আর মহারানীর মধ্যে দ্বিতীয় সন্তান কন্যা হবে।তাই প্রথম সন্তান কন্যা হওয়ায় অগ্নিদেব বড় চিন্তিত হয়ে গেলেন। তিনি জানেন এরপর তার যে সন্তান হবে সে কন্যা। পরবর্তীতে রাজ্যের রাজা কে হবে? তিনি অসুখে দ্বিধায় ভুগতে থাকলেন। তখন তার মাথায় একটা কুসংস্কার খেলে গেল।তিনি কুসংস্কারের একটি চরম অধ্যায়ের সৃষ্টি করলেন।তিনি রাজকুমারী পার্বতীকে একটা নদীতে মান্দাস করে ভাসিয়ে দেন।

ভাবলেন, হয়তো রাজকুমারী কোথাও গিয়ে না কোথাও ঘাটে লাগবে। আর তারা ঠিক তাকে বাঁচিয়ে নিবে।প্রজাদের কথা ভেবে তিনি নিজের সন্তানকে এইভাবে বিলিয়ে দিলেন। মহারাজা নিজেই সেই মান্দাস এর উপর নজর রাখলে। যে ভাগ্যের পরিহাস এর জন্য, কন্যাকে জলে ভাসিয়ে দিয়েছিল। ভাগ্য কিন্তু পরিবর্তন হলো না।উনি ভেবেছিলেন দ্বিতীয় সন্তান কন্যা হওয়ার পর, তৃতীয় সন্তান পুত্র হইবে। কিন্তু তা হলোনা।তৃতীয় সন্তান জন্ম দেওয়ার আগেই মহারানী মারা যায়।

মহারাজ অগ্নিদেব তখন আরো দ্বিধা, যন্ত্রণায় ভুগতে থাকেন। নিজের পাপ নিজেকে তাড়িয়ে বেড়ায়। রাতের ঘুম কেড়ে নেয়। একটা নিষ্পাপ শিশুর সাথে তিনি কি করলেন। তাকে দেখে রাতের চাঁদ নিজের মুখ লুকায়। নিজের সন্তানকে নিজের জলে ভাসিয়ে দিলেন। তিনি চাইলেন তার সন্তানকে ফিরিয়ে আনতে। কিন্তু তখন সব শেষ।
মান্দাস ভাসতে ভাসতে রুপ নগরীতে পৌঁছায়। যার বর্তমান নাম রুদ্র নারায়ণগড়।

তখন রুদ্র নারানগড় এর রাজা বিক্রম ছিলেন খুব সহজ সরল মানুষ। প্রজাদের পাশে সবসময় থাকতেন। ন্যায়-অন্যায় সত্য ধর্ম এবং সদাচার পালন করা হতো। তবে তিনি এবং মহারানী খুবই চিন্তিত ছিলেন। তাদের মধ্যে কোন সন্তান ছিল না। তারা সব সময় নদীর পাশে এসে ঘুরে বেড়াতেন। নিজেদের সুখ-দুখ নিয়ে আলোচনা করতেন। বারবার মহারানী বিক্রমকে বলতেন আমাকে “একটা সন্তান দিন”। কিন্তু ব্যর্থ মহারাজ বিক্রম তা কখনোই পূরণ করতে পারেননি। এমনই একদিন সেই মান্দাস নদীর ঘাটে ভেসে ওঠে। মহারানী উদ্বেলিত হয়ে দেখেন। এক সুন্দর ফুটফুটে কন্যা সন্তান। মহারানী তাকে তুলে নেন। রাজা বিক্রম অনেক বাধা দেয় তবুও তিনি কোনো কথা শুনেননি,

রূপবতী কন্যা এলে
সাগর জলে ভেসে।
না জানি হায় এতটা কাল
ছিলে যে কোন দেশে
এলে সাগর
জলে ভেসে।
এলে সাগর
জলে ভেসে।
এলে আমার
মনের দেশে।
তোমায় দেখে মুগ্ধ চোখে
স্বপ্ন নামে হাজার।
প্রথমদেখে হিয়ার মাঝে
লাগলো দোলা আমার।
তোমায় দেখে মুগ্ধ চোখে
স্বপ্ন নামে হাজার।
প্রথম দেখেই হিয়ার মাঝে
লাগলো দোলা আমার।
রূপবতী কন্যা এলে
সাগর জলে ভেসে।
না জানি হায় এতোটা কাল
ছিলে যে কোন দেশে।

রাজা বিক্রম এবং মহারানী, কন্যার নাম দেন রাজকুমারী পার্বতী। খুব অল্প বয়সে রাজকুমারী পার্বতী অস্ত্রশিক্ষা পারদর্শী হয়ে ওঠে। প্রজাদের সবাইকে তিনি বলেন রাজকুমারী পার্বতী নিজের সন্তান। আর অগ্নিদেব তিনি একটু আশ্বস্ত হন। তার কন্যা হয়তো পিতার কাছে বড় হতে পারেনি। তবে সে এক পিতাকে ছেড়ে আরেকটি পিতা কে পেয়েছে। তিনি চাইলেন না রাজকুমারী পার্বতীর আসল পরিচয় দিতে। এতে রাজকুমারী আরো বেশি কষ্ট পাবে। একে সে নিজের পিতাকে ছেড়ে থাকতে চাইবে না।

আবার রাজা বিক্রম এবং মহারানী কে ছাড়া আসতেও চাইবে না। রাজকুমারী পার্বতী এক অজানার কারণে সব সময় নদীর পাড়ে ঘুরে বেড়াতেন। খেলাধুলা থেকে সবকিছুই তিনি নদীর পাড়ে করতেন।তাকে পাহারা দেওয়ার জন্য অনেক সেনাবাহিনীর মোতায়েন থাকত দূর থেকে। যেটা রাজকুমারী পার্বতী টের করতে পারতেন না। রাজপ্রাসাদের থাকতে মন চাইতো না। রাজপরিবারের রক্ত তার গায়ে বয়ে ছিল। তাই তিনি বারবার যুদ্ধ করতে চাইতেন। রাজা বিক্রম তিনি নিজে কন্যাকে যুদ্ধবিদ্যা সেখান।দিনের-পর-দিন রাজকুমারী পার্বতী যুদ্ধবিদ্যায় পারদর্শী হয়ে ওঠে।

রাজকুমারীর বয়স যখন 12 বছর তখনই ঘটলো আর এক চরম ঘটনা। তখন অমৃত নগরীর আগ্রাসন নীতিতে রূপনগর (রুদ্র নারায়ণ গড়) তটস্থ। অমৃত নগরের রাজা বিজয়ের দুই সন্তান ছিল। প্রথম সন্তান রাজকুমার পৃথ্বীজিৎ। এবং দ্বিতীয় সন্তান কেশো নারায়ন। কেশো নারায়ণের যখন বয়স 5 বছর। তখনই অমৃত নগরী এবং রূপনগর (রুদ্র নারায়ণ গড়) মধ্যে তীব্র যুদ্ধ বাধে। যুদ্ধে প্রায় দুই দলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। তবে অমৃতনগর যতটা ক্ষতি হয়েছিল তার চেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় রূপনগর (রুদ্র নারায়ণ গড়)। রুদ্র নারায়ণ গড়ের সৈন্যরা ওদের সাথে যুদ্ধে পেরে উঠতে পারেনি। ওরা পরাজিত স্বীকার করে।

রূপকথার গল্প আগেকার দিনের ভাষা এখনকার দিনের ভাষার মধ্যে অনেক তফাৎ রয়েছে। সেই ভাষা আমি ঠিক করতে গিয়ে অনেক জায়গায় গুলিয়ে ফেলেছি। কখনো এখানকার ভাষা আবার কখনো আগেকার দিনে ভাষার যোগ করে ফেলেছি। প্লিজ মাফ করবেন। আমার চোখে সেগুলো ধরা পড়লে পরবর্তী সময় এডিট করে দিব।আপনাদের চোখের সামনে ধরা পড়লে কমেন্টে সেই ভুলগুলি ধরিয়ে দিবে।

(যোদ্ধা নামের এই রুপকথার গল্প টি সম্পর্কে আপনার মূল্যবান মতামত জানাতে আমাদের কমেন্ট করুন।)

-চলবে-

পাঠক আপনাদের জন্যই আমরা প্রতিনিয়ত লিখে থাকি। আপনাদের আনন্দ দেয়াই আমাদের প্রধান লক্ষ। তাই এই পর্বের “যোদ্ধা নামের রুপকথার গল্প” টি আপনাদের কেমন লাগলো পড়া শেষে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।

পরের পর্ব পড়ুন – যোদ্ধা রাজার রহস্যময় যুদ্ধ – এক সাহসী রূপকথার গল্প– পর্ব ৪ | Bangla Golper Asor BD

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ